পশ্চিমবঙ্গের মহিলাদের আর্থিকভাবে স্বনির্ভর করে তোলার উদ্দেশ্যে রাজ্য সরকার চালু করেছে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা (আনুষ্ঠানিক নাম: অন্নপূর্ণা যোজনা)। পুরোনো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের জায়গায় এই নতুন প্রকল্পে যোগ্য মহিলারা পাচ্ছেন প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা — আর সেই টাকা যাচ্ছে ডিবিটি (DBT) পদ্ধতিতে সরাসরি তাঁদের আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। ২০২৬ সালের ১ জুন থেকে চালু হওয়া এই প্রকল্পে ইতিমধ্যে প্রায় ১.৩ কোটি মহিলা অনুমোদিত হয়েছেন এবং কিস্তি পেতে শুরু করেছেন।
এক ঝলকে
আজকের লেখায় থাকছে অন্নপূর্ণা যোজনার সুবিধা, যোগ্যতার শর্ত, প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট এবং অনলাইন ও অফলাইন — দুই রকম আবেদন প্রক্রিয়ার বিস্তারিত আলোচনা। শুরুতেই এক নজরে দেখে নিন প্রকল্পের প্রধান তথ্যগুলো।
- যোগ্য মহিলারা প্রতি মাসে ₹৩,০০০ করে আর্থিক সহায়তা পাবেন।
- এই টাকা সরাসরি উপভোক্তাদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে।
- এই স্কিম মহিলাদের আর্থিকভাবে আরও স্বনির্ভর হতে সাহায্য করতে পারে।
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের যোগাযোগের বিস্তারিত তথ্য বর্তমানে উপলব্ধ নয়।
|
প্রকল্পের সংক্ষিপ্ত বিবরণ
|
|
|---|---|
| প্রকল্পের নাম | পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা যোজনা |
| চালুর তারিখ | ১ জুন ২০২৬ |
| সুবিধা | প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা |
| উপভোক্তা | পশ্চিমবঙ্গের যোগ্য মহিলা বাসিন্দারা |
| নোডাল সংস্থা | মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর |
| সাবস্ক্রিপশন | প্রকল্প সম্পর্কিত আপডেট পেতে এখানে সাবস্ক্রাইব করুন |
| আবেদনের পদ্ধতি |
|
পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা ২৫ থেকে ৬০ বছর বয়সি মহিলারা নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে এই প্রকল্পের জন্য আবেদন করতে পারেন। আবেদনকারীর ব্যক্তিগত মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি হওয়া যাবে না এবং পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকার মধ্যে হতে হবে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের যোগ্য উপভোক্তারাও যাচাইয়ের পরে এই প্রকল্পে অন্তর্ভুক্ত হতে পারেন।
অন্য সরকারি সহায়তা পাওয়া কিছু মহিলাকেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য বিবেচনা করা যেতে পারে। অন্য কোনও ভাতা থেকে মাসে ৩,০০০ টাকার কম পাওয়া মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন। নির্ধারিত শর্ত পূরণ করলে প্রতিবন্ধী ভাতা বা PM-KISAN-এর সুবিধা পাওয়া মহিলারাও সেই সুবিধার পাশাপাশি অন্নপূর্ণা যোজনার সহায়তা পেতে পারেন।
আগের উপভোক্তা তালিকায় সংশোধন বা পুনর্বিবেচনার প্রয়োজন থাকা কিছু ঘটনা চিহ্নিত করার পর উপভোক্তা অন্তর্ভুক্তির প্রক্রিয়া চলছে। এখনও পর্যন্ত ১.৭০ কোটিরও বেশি আবেদন জমা পড়েছে। নতুন শিথিল নিয়মের মাধ্যমে আগে বাদ পড়া যোগ্য মহিলাদেরও প্রকল্পের আওতায় আনার চেষ্টা করা হচ্ছে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের জন্য নির্ধারিত বাংলা বা ইংরেজি ফর্ম ব্যবহার করা যেতে পারে। অনলাইন আবেদন পশ্চিমবঙ্গ সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল–এর মাধ্যমে করা যায়। তবে নাগরিকদের জন্য অনলাইন আবেদনের সুযোগ সব সময় খোলা নাও থাকতে পারে। তাই আবেদন করার আগে পোর্টালে বর্তমান আবেদন পরিষেবা চালু আছে কি না দেখে নেওয়া উচিত।
পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পরবর্তী কিস্তি ১৭ আগস্ট ২০২৬ থেকে জমা পড়বে। যোগ্য উপভোক্তারা DBT-এর মাধ্যমে ৩,০০০ টাকা তাঁদের আধার-লিঙ্কযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পাবেন। তাই আসন্ন কিস্তি পাওয়ার জন্য ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টটি সক্রিয় এবং সঠিকভাবে আধারের সঙ্গে লিঙ্ক করা আছে কি না নিশ্চিত করা উচিত।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার কেন — লক্ষ্মীর ভাণ্ডার থেকে কী বদলল
পুরোনো লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে তফসিলি জাতি ও তফসিলি উপজাতি শ্রেণির মহিলারা মাসে ১,৭০০ টাকা এবং অন্যান্য যোগ্য মহিলারা ১,৫০০ টাকা পেতেন। নতুন অন্নপূর্ণা যোজনায় এই ভেদাভেদ তুলে দিয়ে সব যোগ্য মহিলাকেই সমানভাবে মাসে ৩,০০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্তমান উপভোক্তাদের যাচাই শেষ হলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্নপূর্ণা যোজনায় নিয়ে যাওয়া হচ্ছে — নতুন করে আবেদন করার দরকার নেই।
সরকার এ পর্যন্ত প্রায় ১.৬ কোটি আবেদন পেয়েছে, যার মধ্যে যাচাইয়ে প্রায় ২৬ লক্ষ আবেদন বাতিল হয়েছে (অযোগ্য বা অনাগরিক আবেদনকারীদের)। যাচাই শেষে প্রায় ১.৩ কোটি মহিলা অনুমোদিত হয়েছেন। প্রথম কিস্তি এসেছিল ৩ জুন ২০২৬ (২৮ লক্ষেরও বেশি মহিলা উপকৃত), আর দ্বিতীয় কিস্তি এসেছিল ১ জুলাই ২০২৬ — যাতে প্রায় ১.৩ কোটি মহিলা ৩,০০০ টাকা করে পেয়েছেন।
অন্নপূর্ণা যোজনায় যোগ্যতার শর্ত
আবেদনের আগে নিচের শর্তগুলো মিলিয়ে নিন —
- পশ্চিমবঙ্গের স্থায়ী বাসিন্দা হতে হবে।
- শুধুমাত্র মহিলা আবেদনকারীরাই যোগ্য।
- বয়স ২৫ থেকে ৬০ বছরের মধ্যে হতে হবে।
- আধার-সংযুক্ত ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থাকতে হবে — কারণ টাকা ডিবিটি পদ্ধতিতে যায়।
- লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের বর্তমান উপভোক্তারা যাচাইয়ের পর স্বয়ংক্রিয়ভাবে অন্নপূর্ণায় চলে আসবেন।
- SIR ট্রাইব্যুনালে আপিল বা নাগরিকত্ব (সংশোধনী) আইনের অধীনে আবেদন করে থাকলে — সেই আবেদন নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত সরকারি নিয়ম অনুযায়ী আর্থিক সহায়তা পাওয়ার সুযোগ থাকে।
অযোগ্যতার শর্তাবলি
অন্নপূর্ণা যোজনার নির্ধারিত যোগ্যতার শর্ত পূরণ না করলে আবেদনকারীরা প্রকল্পের সুবিধা নাও পেতে পারেন। আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে মহিলা আবেদনকারীদের বর্জনের শর্তগুলি ভালোভাবে যাচাই করা উচিত।
- ২৫ বছরের কম বা ৬০ বছরের বেশি বয়সি মহিলারা যোগ্য নন।
- স্থায়ী সরকারি চাকরিতে থাকা মহিলারা এই প্রকল্পের সুবিধা পাবেন না।
- নিয়মিত সরকারি বেতন বা পেনশন পাওয়া মহিলারা যোগ্য নন।
- নির্দিষ্ট সরকারি সংস্থা, সরকারি প্রতিষ্ঠান, পঞ্চায়েত, পুরসভা, স্থানীয় কর্তৃপক্ষ বা সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে কর্মরত মহিলারা যোগ্য নন।
- ব্যক্তিগত মাসিক আয় ১০,০০০ টাকার বেশি হলে আবেদনকারী যোগ্য নন।
- পরিবারের বার্ষিক আয় ১২ লক্ষ টাকার বেশি হলে এবং আয়কর দিতে হলে সেই পরিবার প্রকল্পের সুবিধা পাবে না।
- পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা নন এমন মহিলারা আবেদন করতে পারবেন না।
- প্রযোজ্য অ-গ্রামীণ এলাকায় পরিবারের তিনটির বেশি ঘর থাকলে আবেদনকারী বাদ পড়তে পারেন। তবে গ্রামীণ মহিলাদের ক্ষেত্রে এই শর্ত প্রযোজ্য নয়।
- যাচাইয়ের সময় কোনও উপভোক্তাকে মৃত, অন্যত্র চলে যাওয়া, ডুপ্লিকেট, তালিকা থেকে বাদ দেওয়া বা অন্য কোনও কারণে অযোগ্য পাওয়া গেলে তাঁকে বাদ দেওয়া হতে পারে।
- ভুল তথ্য বা জাল নথি দিয়ে আবেদন করলে আবেদন বাতিল হতে পারে।
- আবেদনকারী বা তাঁর পরিবারের কোনও সদস্যের GSTIN থাকলে তাঁরা প্রকল্পের জন্য যোগ্য নাও হতে পারেন।
অন্নপূর্ণা আবেদনের জন্য প্রয়োজনীয় ডকুমেন্ট
সরকার এখনও চূড়ান্ত নথির তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করেনি, তবে আবেদন ও যাচাইয়ের সময় নিচের কাগজপত্রগুলো প্রস্তুত থাকলে ঝামেলা হবে না —
- আধার কার্ড
- বাসস্থানের প্রমাণপত্র
- ভোটার আইডি কার্ড (EPIC)
- ব্যাঙ্ক পাসবই (আধার-সংযুক্ত অ্যাকাউন্টের প্রথম পৃষ্ঠা)
- পাসপোর্ট সাইজ রঙিন ছবি
- সক্রিয় মোবাইল নম্বর
- রেশন কার্ড (ডিজিটাল রেশন কার্ড থাকলে নম্বরসহ)
- আয় সংক্রান্ত নথি (প্রয়োজন হলে)
- রেজিস্ট্রেশনের সময় সরকার নির্ধারিত অতিরিক্ত নথি (চাওয়া হলে)
টিপস: আধার, ভোটার ও ব্যাঙ্ক পাসবইয়ে নামের বানান ও জন্মতারিখ হুবহু মিলিয়ে নিন — বানানের অমিলে ডিবিটি আটকে যাওয়ার ঘটনা ঘটে।
অন্নপূর্ণা যোজনায় কীভাবে আবেদন করবেন
অন্নপূর্ণা যোজনায় আবেদন করা যায় অনলাইন ও অফলাইন — দুই ভাবেই। অফলাইন আবেদনপত্র প্রকাশ পায় ২৭ মে ২০২৬, আর অনলাইন আবেদন শুরু হয় ৩ জুন ২০২৬ থেকে।
১. অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
- অন্নপূর্ণা যোজনার অফিশিয়াল পোর্টালে যান এ প্রবেশ করুন।
- আপনার স্ক্রিনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনা পোর্টাল প্রদর্শিত হবে।
- হোমপেজে থাকা “Access Citizen Portal” অপশনে ক্লিক করুন।
- এরপর আপনি একটি নতুন পৃষ্ঠায় চলে যাবেন, যেখানে তালিকা থেকে আপনার জেলা নির্বাচন করতে হবে।
- নির্ধারিত স্থানে আপনার নিবন্ধিত মোবাইল নম্বর লিখুন।
- OTP অপশনে ক্লিক করুন এবং যাচাইকরণ সম্পন্ন করার জন্য আপনার মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত OTP প্রবেশ করান।
- OTP যাচাইকরণ সম্পন্ন হওয়ার পর আপনার স্ক্রিনে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র খুলে যাবে।
- আবেদনপত্রটি সাতটি বিভাগে বিভক্ত থাকবে, যার মধ্যে রয়েছে মৌলিক তথ্য (Basic Information), রেশন কার্ডের তথ্য, সম্পদের তথ্য, আয় ও পেশার তথ্য, পরিচয়পত্রের তথ্য, সরকারি প্রকল্পের সুবিধা এবং পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য।
- প্রথমে আপনার ব্যক্তিগত তথ্য যেমন নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, শ্রেণি, আধার নম্বর, ভোটার কার্ডের তথ্য, মোবাইল নম্বর এবং ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য পূরণ করুন।
- প্রযোজ্য ক্ষেত্রে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদের তথ্য যুক্ত করার জন্য “Add Member” অপশনে ক্লিক করুন।
- পরিবারের তথ্য, রেশন কার্ডের তথ্য, সম্পদের তথ্য, আয়, পরিচয়পত্র এবং সরকারি প্রকল্প-সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় তথ্য প্রদান করে বাকি বিভাগগুলো সম্পূর্ণ করুন।
- চূড়ান্তভাবে আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে প্রদত্ত সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করুন।
- ঘোষণাপত্র এবং সম্মতি বিবৃতি ভালোভাবে পড়ুন এবং প্রয়োজনীয় চেকবক্সে টিক চিহ্ন দিন।
- অনলাইন আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে “Submit” বাটনে ক্লিক করুন।
- আবেদন সফলভাবে জমা হওয়ার পর ভবিষ্যতে আবেদন স্ট্যাটাস ট্র্যাকিং এবং যাচাইকরণের জন্য আবেদন রেফারেন্স নম্বরটি সংরক্ষণ করুন বা লিখে রাখুন।
২. অফলাইন আবেদন প্রক্রিয়া
- যোগ্য আবেদনকারীরা নিচে দেওয়া ধাপগুলি অনুসরণ করে সংশ্লিষ্ট BDO অফিস অথবা SDO অফিসের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য অফলাইনে আবেদন করতে পারবেন।
- সংশ্লিষ্ট BDO অফিস অথবা SDO অফিসে গিয়ে আবেদনপত্র সংগ্রহ করুন।
- আপনি এখান থেকেও অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে পারেন :-
- আবেদনপত্রে প্রয়োজনীয় সমস্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে পূরণ করুন।
- আধার কার্ড, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় নথিপত্র সংযুক্ত করুন।
- পূরণ করা আবেদনপত্র নির্ধারিত অফিসে জমা দিন।
- সুবিধা অনুমোদনের আগে সরকারি আধিকারিকরা জমা দেওয়া তথ্য ও নথিপত্র যাচাই করতে পারেন।
- ভবিষ্যতের রেফারেন্স এবং আবেদন স্ট্যাটাস দেখার জন্য অ্যাকনলেজমেন্ট রসিদ নিরাপদে সংরক্ষণ করুন।
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন রেজিস্ট্রেশনে প্রয়োজনীয় তথ্য
অন্নপূর্ণা যোজনার অনলাইন আবেদনপত্র পূরণের সময় আবেদনকারীদের রেজিস্ট্রেশনের বিভিন্ন ধাপে নিম্নলিখিত তথ্য প্রদান করতে হতে পারে:
- মৌলিক তথ্য: নাম, জন্মতারিখ, লিঙ্গ, শ্রেণি, আধার নম্বর, ভোটার কার্ড নম্বর, মোবাইল নম্বর, ঠিকানা, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ এবং পরিবারের সদস্যদের তথ্য।
- রেশন কার্ডের তথ্য: ডিজিটাল রেশন কার্ড নম্বর, রেশন কার্ডের শ্রেণি এবং পরিবারের প্রাপ্ত মাসিক রেশন সুবিধার বিবরণ।
- সম্পদের তথ্য: বাড়ির বিবরণ, কক্ষের সংখ্যা, জমির মালিকানার তথ্য, জমির পরিমাণ, যানবাহনের মালিকানার বিবরণ এবং স্বাস্থ্যবিমা সংক্রান্ত তথ্য।
- আয় ও পেশার তথ্য: কর্মসংস্থানের অবস্থা, পেশার বিবরণ, বার্ষিক পারিবারিক আয়, PAN নম্বর, কর-সংক্রান্ত তথ্য, পেনশনের বিবরণ, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং প্রযোজ্য ক্ষেত্রে GST নিবন্ধনের তথ্য।
- পরিচয়পত্রের তথ্য: আধার সংক্রান্ত তথ্য, EPIC (ভোটার আইডি) তথ্য, CAA-সংক্রান্ত তথ্য (যদি প্রযোজ্য হয়) এবং অন্যান্য পরিচয়পত্র বা ঋণ-সংক্রান্ত নথির বিবরণ।
- সরকারি প্রকল্পের তথ্য: অন্যান্য সরকারি কল্যাণমূলক প্রকল্প এবং ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (DBT) কর্মসূচির মাধ্যমে প্রাপ্ত সুবিধার তথ্য।
- পারিবারিক পরিচয় সংক্রান্ত তথ্য: পরিবারের সদস্যদের বিবরণ, পরিবারের প্রধানের সঙ্গে সম্পর্ক, সন্তানের শিক্ষার তথ্য, টিকাকরণের রেকর্ড এবং যাচাইকরণের জন্য প্রয়োজনীয় ঘোষণাপত্রের তথ্য।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনে ভুল তথ্য কীভাবে সংশোধন করবেন?
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আবেদনকারীদের সমস্ত তথ্য ভালোভাবে যাচাই করা উচিত। আবেদনপত্র একবার জমা দেওয়ার পর আবেদনকারীরা তাদের নাগরিক লগইনের মাধ্যমে কোনো তথ্য সম্পাদনা বা হালনাগাদ করতে পারবেন না। তবে যদি কোনো ভুল তথ্য জমা হয়ে থাকে, তাহলে নিচের প্রক্রিয়া অনুসরণ করা যেতে পারে।
- যদি আপনি ইতিমধ্যে সফলভাবে আবেদনপত্র জমা দিয়ে থাকেন, তাহলে পুনরায় আরেকটি আবেদনপত্র জমা দেবেন না।
- আপনার নিকটবর্তী বিডিও অফিস (ব্লক উন্নয়ন অফিস) অথবা এসডিও অফিস (মহকুমা অফিস)-এ যান।
- আপনার আবেদনপত্রে প্রবেশ করা ভুল তথ্য সম্পর্কে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাকে জানান।
- আপনার অস্থায়ী আবেদন পরিচয় নম্বর অথবা আবেদন গ্রহণের রসিদের বিবরণ সঙ্গে নিয়ে যান।
- সংশোধনের অনুরোধের সঙ্গে সম্পর্কিত প্রয়োজনীয় সহায়ক নথিপত্র সঙ্গে রাখুন।
- কর্মকর্তারা অস্থায়ী আবেদন পরিচয় নম্বরের মাধ্যমে আপনার আবেদনপত্র খুঁজে বের করতে পারবেন।
- নথিপত্র যাচাই করার পর, সরকারি নির্দেশিকা অনুযায়ী অনুমতি থাকলে অনুমোদিত কর্মকর্তারা তাদের সরকারি লগইনের মাধ্যমে ভুল তথ্য সংশোধন করতে পারেন।
- আবেদনকারীদের যাচাইকরণ প্রক্রিয়ায় সহযোগিতা করতে হবে এবং কর্তৃপক্ষের চাওয়া অতিরিক্ত তথ্য প্রদান করতে হবে।
গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার যোজনার পোর্টালে চূড়ান্তভাবে আবেদন জমা দেওয়ার পর নিজে থেকে তথ্য সংশোধন বা সম্পাদনার কোনো সুবিধা নেই। তাই আবেদনপত্র জমা দেওয়ার আগে আধারের তথ্য, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য, মোবাইল নম্বর, পারিবারিক তথ্য, রেশন কার্ডের তথ্য এবং অন্যান্য সকল তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে নেওয়া উচিত।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনপত্রের অবস্থা
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে নিবন্ধিত আবেদনকারীরা সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আবেদনের বর্তমান অবস্থা যাচাই করতে পারবেন। নিচের ধাপগুলি অনুসরণ করুন:
- সরকারি সোশ্যাল রেজিস্ট্রি পোর্টাল খুলুন।
- “সিটিজেন পোর্টালে প্রবেশ করুন” বিকল্পে ক্লিক করুন।
- তালিকা থেকে আপনার জেলা নির্বাচন করুন।
- আবেদনের সময় ব্যবহৃত মোবাইল নম্বর লিখুন।
- স্ক্রিনে প্রদর্শিত নিরাপত্তা যাচাইকরণ কোড পূরণ করুন।
- “ওটিপি পাঠান” বোতামে ক্লিক করুন।
- নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত এককালীন পাসওয়ার্ড লিখে প্রবেশ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করুন।
- সফলভাবে প্রবেশ করার পর পোর্টালে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনের বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।
- আপনার আবেদন অনুমোদিত হয়ে থাকলে “আবেদন অনুমোদিত” লেখা দেখা যাবে।
- যদি আবেদন অনুমোদিত না হয়ে থাকে, তাহলে “বাতিল” অথবা প্রযোজ্য অন্য কোনো বর্তমান অবস্থা প্রদর্শিত হবে।
আবেদন অস্থায়ীভাবে বাতিল হলে কী হবে?
যদি আপনার অন্নপূর্ণা যোজনার আবেদনের অবস্থায় “অস্থায়ীভাবে বাতিল” দেখা যায়, তাহলে এর অর্থ এই নয় যে আপনার আবেদন স্থায়ীভাবে বাতিল হয়েছে। ২০২৬ সালের ৪ জুলাই অনুষ্ঠিত সরকারি পর্যালোচনা বৈঠকের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ ধরনের আবেদনগুলির চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে মাঠপর্যায়ে যাচাই করা হবে।
- যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করুন, কারণ অস্থায়ীভাবে বাতিল হওয়া প্রতিটি আবেদন চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের আগে পুনরায় পর্যালোচনা করা হবে।
- সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার তথ্য, নথিপত্র এবং প্রকল্পের যোগ্যতা যাচাই করার জন্য আপনার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারে অথবা আপনার বাড়িতে যেতে পারে।
- যাচাই চলাকালীন প্রয়োজন হলে যাচাইকারী দলের সঙ্গে সহযোগিতা করুন এবং প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র প্রস্তুত রাখুন।
- যাচাই শেষ হওয়ার পর কর্তৃপক্ষ সরকারি পোর্টালে তাদের সুপারিশ আপলোড করবে। সেই সুপারিশের ভিত্তিতে আপনার আবেদন অনুমোদিত অথবা চূড়ান্তভাবে বাতিল হতে পারে।
- সরকার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ৭ দিনের মধ্যে যাচাই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার নির্দেশ দিয়েছে।
- আপনি যদি জনকল্যাণ শিবির (জেকেএস) অথবা অন্য কোনো অনুমোদিত কেন্দ্রে অফলাইনে আবেদন করে থাকেন, তাহলে যাচাইয়ের পর সেই আবেদন ডিজিটাল রূপে সংরক্ষণ করে সরকারি পোর্টালে আপলোড করা হবে।
- সরকার যদি আপত্তি বা দাবি জানানোর সুবিধা চালু করে, তাহলে আপনার আবেদন পুনর্বিবেচনার জন্য আবেদন করার সুযোগ পেতে পারেন।
- আপনার আধার ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে কি না তা নিশ্চিত করুন, যাতে আবেদন অনুমোদিত হলে কোনো অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত সমস্যা ছাড়াই প্রকল্পের সুবিধা পেতে পারেন।
- আধার বা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত সমস্যার কারণে অর্থপ্রদান বিলম্বিত হলে, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ব্যাংকের সঙ্গে সমন্বয় করে সমস্যার সমাধান করবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা
অনেক উপভোক্তা জানতে চান যে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের কিস্তির অর্থ অনুমোদিত হয়েছে কি না অথবা তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হয়েছে কি না। বর্তমানে সরকার আবেদনকারী লগইন পোর্টালের মাধ্যমে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করার কোনো অনলাইন সুবিধা চালু করেনি।
- বর্তমানে উপভোক্তারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা অনলাইনে দেখতে পারবেন না।
- আর্থিক সহায়তার অর্থ সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে উপভোক্তার আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা হবে।
- কিস্তির অর্থ সফলভাবে জমা হলে উপভোক্তারা তাদের নিবন্ধিত মোবাইল নম্বরে একটি ক্ষুদে বার্তা পাবেন।
- অর্থপ্রদান-সংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য পাওয়ার জন্য আবেদনকারীদের তাদের মোবাইল নম্বর সক্রিয় রাখতে হবে।
- উপভোক্তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সক্রিয় রয়েছে এবং ডিবিটি অর্থপ্রদান গ্রহণের জন্য উপযুক্ত।
- অনুমোদনের পরও অর্থপ্রদান না পেলে উপভোক্তারা সহায়তার জন্য নিকটবর্তী বিডিও অফিস বা এসডিও অফিসে যোগাযোগ করতে পারেন।
গুরুত্বপূর্ণ: বর্তমানে অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের পেমেন্টের অবস্থা যাচাই করার জন্য কোনো পৃথক অনলাইন সুবিধা উপলব্ধ নেই। কিস্তির অর্থ ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা হওয়ার পর উপভোক্তাদের ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জানানো হবে।
আবেদন অনুমোদিত
যদি পোর্টালে “আবেদন অনুমোদিত” লেখা দেখা যায়, তাহলে বুঝতে হবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদন সফলভাবে যাচাই করেছে এবং আপনাকে প্রকল্পের জন্য যোগ্য হিসেবে অনুমোদন দিয়েছে। সরকারের নির্ধারিত অর্থপ্রদানের সময়সূচি অনুযায়ী ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে আপনার আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রতি মাসে ৩,০০০ টাকা আর্থিক সহায়তা জমা হবে।
আবেদন বাতিল
আপনার আবেদনের অবস্থায় যদি “আবেদন প্রত্যাখ্যাত” দেখায়, তাহলে এর অর্থ হলো কর্তৃপক্ষ আপনার আবেদনটি অনুমোদন করেনি। অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের নাগরিক পোর্টালে এখন আবেদন প্রত্যাখ্যানের কারণও দেখানো হচ্ছে। এর ফলে আবেদনকারীরা কেন তাঁদের আবেদন প্রত্যাখ্যাত হয়েছে তা জানতে পারবেন এবং প্রয়োজন হলে পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে পারবেন।
অর্থপ্রদান ব্যর্থ
যদি আপনার আবেদনের অবস্থায় “অর্থপ্রদান ব্যর্থ” লেখা দেখা যায়, তাহলে এর অর্থ হলো আপনার আবেদন অনুমোদিত হলেও মাসিক আর্থিক সহায়তার অর্থ আপনার ব্যাংক অ্যাকাউন্টে জমা করা সম্ভব হয়নি। সাধারণত আধারের সঙ্গে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত না থাকা, ডাইরেক্ট বেনিফিট ট্রান্সফার (ডিবিটি) পরিষেবা সক্রিয় না থাকা অথবা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট-সংক্রান্ত কোনো সমস্যার কারণে এমনটি হতে পারে। এ ক্ষেত্রে আপনার ব্যাংকের সঙ্গে যোগাযোগ করে সমস্যার সমাধান করুন, যাতে ভবিষ্যতের কিস্তির অর্থ কোনো বিলম্ব ছাড়াই গ্রহণ করতে পারেন।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরিবর্তন: অনলাইনে কীভাবে আপডেট করবেন?
লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের বর্তমান উপভোক্তারা যারা অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সুবিধা অন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পেতে চান, তাদের নিশ্চিত করতে হবে যে তাদের আধার সঠিক ও সক্রিয় ব্যাংক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে সংযুক্ত রয়েছে। এটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ প্রকল্পের আর্থিক সহায়তা সরাসরি সুবিধা হস্তান্তর (ডিবিটি) ব্যবস্থার মাধ্যমে প্রদান করা হয়।
নিচে দেওয়া প্রক্রিয়াটি নতুন অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের আবেদনকারীদের জন্যও উপযোগী, যারা জানতে চান যে ডিবিটি সুবিধা পাওয়ার জন্য বর্তমানে তাদের আধার কার্ডের সঙ্গে কোন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট সংযুক্ত রয়েছে। উপভোক্তারা এনপিসিআই-এর ভারত আধার সংযুক্তিকরণ সহায়ক (বেস) পোর্টালের মাধ্যমে অনলাইনে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই এবং হালনাগাদ করতে পারেন।
যেসব মহিলার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নিষ্ক্রিয় হয়ে গেছে, বন্ধ হয়ে গেছে অথবা যারা অন্য কোনো ব্যাংক অ্যাকাউন্টে প্রকল্পের সুবিধা পেতে চান, তারা ব্যাংক শাখায় না গিয়েই এই সুবিধার মাধ্যমে তাদের আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট হালনাগাদ করতে পারবেন।
আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যাচাই করুন
- এনপিসিআই-এর বেস পোর্টাল-এ প্রবেশ করুন।
- গ্রাহক বিভাগ-এ ক্লিক করুন এবং “ভারত আধার সংযুক্তিকরণ সহায়ক (বেস)” নির্বাচন করুন।
- “আধার সংযুক্তি অবস্থা” অপশনে ক্লিক করুন।
- আপনার আধার নম্বর, ক্যাপচা কোড এবং আধার-সংযুক্ত মোবাইল নম্বরে প্রাপ্ত এককালীন গোপন সংকেত (ওটিপি) প্রবেশ করান।
- ডিবিটি সুবিধা পাওয়ার জন্য বর্তমানে আপনার আধারের সঙ্গে সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ সিস্টেমে প্রদর্শিত হবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পে আধার-সংযুক্ত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট কীভাবে আপডেট করবেন
- বেস পোর্টালে “আধার সংযুক্তিকরণ / সংযুক্তি অপসারণ” অপশনটি খুলুন।
- আপনার ব্যাংক নির্বাচন করুন এবং নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টের বিবরণ প্রবেশ করান।
- একই ব্যাংকের অন্য অ্যাকাউন্টে পরিবর্তন অথবা অন্য ব্যাংকে আধার সংযুক্তি স্থানান্তরের জন্য উপযুক্ত অপশন নির্বাচন করুন।
- এককালীন গোপন সংকেত (ওটিপি) যাচাইকরণের মাধ্যমে অনুরোধটি নিশ্চিত করে জমা দিন।
- সফল যাচাইকরণের পর নতুন ব্যাংক অ্যাকাউন্টটি ডিবিটি অর্থপ্রদান গ্রহণের জন্য সক্রিয় হয়ে যাবে।
অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অফিসিয়াল রেজিস্ট্রেশন পোর্টাল
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি পোর্টাল
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের অনলাইন আবেদন লিঙ্ক
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের বাংলা আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের ইংরেজি আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের হিন্দি আবেদনপত্র
- পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের সরকারি বিজ্ঞপ্তি
- অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার প্রকল্পের জন্য লক্ষ্মীর ভাণ্ডার ব্যাংক অ্যাকাউন্ট যোগ বা পরিবর্তন করুন
- পশ্চিমবঙ্গ মহিলা ও শিশু উন্নয়ন দপ্তরের পোর্টাল
যোগাযোগ ও হেল্পলাইন
- অফিশিয়াল পোর্টাল: পশ্চিমবঙ্গ অন্নপূর্ণা যোজনা পোর্টাল
- নোডাল দপ্তর: মহিলা ও শিশু উন্নয়ন এবং সমাজকল্যাণ দপ্তর, পশ্চিমবঙ্গ সরকার
- স্থানীয় যোগাযোগ: নিজের ব্লক (BDO) বা পৌর (SDO) অফিস; কলকাতায় KMC অফিস
নোট: উৎস আর্টিকেল অনুযায়ী অন্নপূর্ণা ভাণ্ডার স্কিমের পৃথক হেল্পলাইন নম্বর এখনও প্রকাশ্যে আসেনি। প্রয়োজনে নোডাল দপ্তরের সাধারণ হেল্পলাইন বা স্থানীয় অফিসে যোগাযোগ করুন।